মুসলিম সংস্কৃতি লালন ও পরিচর্যা করা সময়ের দাবি

99

ফটিকছড়ি (উত্তর) হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদের প্রস্তুতি সভায় বক্তারা বলেন, মুসলিম হিসেবে প্রত্যেক মুসলমানের উচিত ইসলামী সংস্কৃতি লালন ও পরিচর্যা করা। আমরা সেই কর্তব্য পালন না করে বিজাতীয় সংস্কৃতি কৃষ্টি কালচারকে গ্রহন করতে গিয়ে মুসলিম সমাজ ক্রমান্বয়ে আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছেছে। এর থেকে উত্তোরনের অন্যন্য একটি পথ নিজস্ব সংস্কৃতিকে লালন ও পরিচর্যা করা। ইসলামী নিয়ম কানুনের মধ্যে কোন অভাব বা শূন্যতা নেই, প্রতিটি বিষয়ের উপর ইসলামী বিধান নিয়ম কানুন রয়েছে। যেমন মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত হিজরি সন পালন করা, কিন্তু আমরা মুসলিম সমাজ সেটাকে ভুলে গিয়ে ইংরেজী বা বাংলা নববর্ষ পালন করছি এবং নববর্ষের নামে যুবক যুবতীদের উলঙ্গপনা আজ শুধু চরিত্রকে নয় দেশ ও সমাজকেও ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। তাই আসুন হিজরি সন ইসলামী সংস্কৃতির অনন্য ইতিহাস ও কৃষ্টি কালচার পালনে আমরা এগিয়ে আসি। ১৮ জুন বিকেলে নারায়ণহাট কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে উত্তর ফটিকছড়ি হিজরি নববর্ষ উদ্যাপন পরিষদ ও ইমামে আজম আবু হানিফা (রহঃ) ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের যৌথ উদ্যোগে প্রস্তুতি সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভায় আগামী ১৮ জুলাই আসন্ন হিজরি নববর্ষ ১৪৪৫ এর আগমনকে স্বাগত জানিয়ে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সমাজসেবক আলহাজ্ব হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ছাত্রনেতা মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশ ভুজপুর থানার সহ সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ শফিউল আলম। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ নারায়ণহাট ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর নঈমী। প্রধান বক্তা ছিলেন যুব সংগঠক মুহাম্মদ তারেক আজিজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন হাসনাবাদ মদিনাতুল আরব উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক হেড মাওলানা মাওলানা মুহাম্মদ আবু মুছা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমা- নারায়ণহাট ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ফজলুল হক, ফটিকছড়ি সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের ধর্মীয় শিক্ষক মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দীন সিদ্দিকী, আল হাসানাইন মডেল মাদ্রাসার ডাইরেক্টর মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন, ব্যবসায়ী মুহাম্মদ জহির সওদাগর,পল্লী চিকিৎসক ডাঃ আবদুল জলিল। সকলের সম্মতিতে মুহাম্মদ তারেক আজিজকে প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক এবং মাওলানা মুহাম্মদ মনির হোসেনকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট এক বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
সভায় বক্তারা সরকারের নিকট হিজরি সনের প্রথম তারিখ সরকারী বন্ধের ঘোষণার দাবি জানান এবং সরকারীভাবে হিজরি সন উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান এর কর্মসূচী পালনের আহবান জানান। দেশ, জাতি ও মুসলিম বিশ্বের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কমনা করে মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। এতে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা মনির, সাখাওয়াত হোসেন আরফাত, মুহাম্মদ সাকিব, আবু সাঈদ মামুন, এইচ এম ইমাম, মুহাম্মদ ইয়াকুব, মুহাম্মদ ইয়াছিন, এহসান উদ্দীন, মুহাম্মদ ইসামাঈল, মুহাম্মদ আলমাছ, মাওলানা মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মুহাম্মদ নাঈমুল ইসলাম অপু, মুহাম্মদ নাজিম, মুহাম্মদ ইসহাক, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন, মিজান উদ্দীন, মুহাম্মদ মুসা,মুহাম্মদ শাহিন, আলমাছ উদ্দীন, জহির উদ্দীন, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর প্রমুখ।

Advertisement
spot_img
Advertisement
spot_img