
রাষ্ট্র ও সমাজ কতোটা গতিশীল তা নির্ভর করে দেশ বা সমাজে গণতন্ত্র কতোটা কার্যকর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মূল দর্শন ছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। কিন্তু ৫৪ বছর পরও গণতন্ত্রের জন্য হাজার হাজার লোক জীবন দিচ্ছে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন না থাকলে রাষ্ট্রের সকল ধর্ম, জাতি-ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি সমানভাবে বিকশিত হয় না। সমাজ বা রাষ্ট্র স্থবির হয়ে যায়। এক পর্যায়ে এসে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। সমাজের নানা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত। ব্যর্থ সমাজে ধুর্ত, মনোবৈকল্য, অশিক্ষিতরা আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করার দায়িত্ব নেয়। মানুষ শিক্ষাকে কম, টাকা আর ক্ষমতাকে বেশী মূল্যায়ন করে। ব্যর্থ সমাজে সংগঠন দুর্নীতিবাজদের দখলে চলে যায়, তারা সবচেয়ে সফল মানুষ হিসেবে নিজেদেরকে গণ্য করে। জনগণের চোখে তারা হয়ে যায় রোল মডেল। ব্যর্থ সমাজে উদ্যোক্তার চেয়ে চাকুরীজীবির দাম বেশী। ব্যর্থ সমাজে তরুণ প্রজন্মের সামনে মহৎ কোন লক্ষ্য থাকে না। যুব সমাজ সেখানেই শর্টকাট বড়লোক হবার রাস্তা খোঁজে। গতকাল ১৫ আগস্ট শুক্রবার রাউজান অগ্রসার এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যান ট্রাস্টের সম্মানিত ট্রাস্টি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যমত সংগঠক সুশীল বড়ুয়া উপরোক্ত মত ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন, আজ ১৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপির মাননীয় চেয়ারপার্সন মাদার অব ডেমোক্রেসি বেগম খালেদা জিয়া ৮০তম জন্মদিন। তাঁর রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়। সভায় আর্শীবাদক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহামান্য ২৯তম সংঘনায়ক অধ্যাপক বনশ্রী মহাথের, উদ্বোধন হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় সহ-উপসংঘনায়ক সুনন্দ মহাথের, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি বুদ্ধপ্রিয় মহাথের, ভদন্ত জ্ঞানানন্দ মহাথের, ভদন্ত সুমিত্তানন্দ মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সম্মানিত ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা, স্বাগত বক্তব্য দেন অশোক বড়ুয়া, সভাপতিত্ব করেন মং হলা সিং এবং সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক অমল বড়ুয়া। উক্ত অনুষ্ঠানে মং হলা সিং ও অমল বড়ুয়াকে বিশুদ্ধানন্দ ও সুগতানন্দ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। সমাজ সেবা কাজে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য।
















