
শনিবার (০৫ জুলাই) বিকেলে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর ও এর আওতাধীন ১৫ থানা ও ১২টি ওয়ার্ড কমিটি অনুমোদন দেয়ায় বিএনপির চেয়ারপার্সন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, জনাব তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস. এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান সহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আনন্দ র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।
র্যালিটি নগরীর জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দান থেকে শুরু করে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিণ করে কাজীর দেউরি নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয় প্রাঙ্গণে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু বলেন, অতীতে যারা আন্দোলন সংগ্রামে আমাদের সাথে রাজপথে ছিলেন। ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী সরকার বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে যারা হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন। ঐ ধরনের দুঃসময়ের ত্যাগী ও যোগ্য নেতৃবৃন্দের দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল চট্টগ্রাম মহানগর, ১৫ থানা ও ১২টি আহবায়ক কমিটি উপহার দিয়েছেন। আমরা চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে বিএনপির চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস. এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান সহ বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দিয়েছে। গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা বিএনপির ভ্যান গার্ডের দায়িত্ব পালন করেছেন। আগামী দিনেও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের কাঙ্ক্ষিত সরকার প্রতিষ্ঠা করে দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গঠনে স্বেচ্ছাসেবক দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দীর্ঘ ১৭ বছর লড়াই করেছি। জনগণ দ্রুত নির্বাচন চায়। কিন্তু নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, বিভিন্ন গোষ্ঠী নির্বাচনকে বিলম্বিত করার পায়তারা করছে। মূলত যাদের জনসমর্থন নেই এবং যাদের যোগ্য নেতৃত্বের অভাব রয়েছে তারাই সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচনের কথা বলছে। দেশের মানুষ পি আর পদ্ধতি বুঝেনা, তারা ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে চায়। যারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে।
চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব ইঞ্জি. জমির উদ্দিন নাহিদ বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের পর আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে স্বেচ্ছাসেবক দল সম্মুখভাগে লড়াই করেছে। দেশের জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপির লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য পূরণে স্বেচ্ছাসেবক দল সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখবে।
চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন বুলুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ইঞ্জি. জমির উদ্দিন নাহিদ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সিরাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, জহিরুল হক টুটুল, এম. আবু বক্কর রাজু, রাজীব উদ্দিন আকন্দ, মহসিন কবির আপেল, রিফাত হোসেন শাকিল, দিদার হোসেন, হারুনুর রশিদ, গোলাম সরোয়ার, আব্দুল হালিম গুড্ডু, মো. আলমগীর, আব্দুল আহাদ রিপন, কামরুল হাসান, এন মোহাম্মদ রিমন, আরিফুর রহমান চৌধুরী, মো. ইফতেখার উদ্দিন নিবলু, তাজুল ইসলাম নয়ন। উপস্থিত ছিলেন সদস্য আব্দুল হাই, সৈয়দ মফিজ উদ্দিন সুমন, শাহাদাত হোসেন সোহাগ, মো. হাসান, ইমরান হোসেন চৌধুরী বাবলু, ইঞ্জি. নুরুজ্জামান শিমুল, সাইফুল আলম দিপু, রবিউল ইসলাম, শহিদুজ্জামান শহীদ, মো. জাহিদুল ইসলাম (দপ্তরের দায়িত্বে), নোমান সিকদার সোহাগ, আকবর হোসেন মানিক, কামাল হোসেন, ইমরান সিদ্দিকী জ্যাকসন, জাকির হোসেন মিশু, জাফর হোসেন রনি, দেলোয়ার হোসেন জনি, মীর কাসেম, ইকবাল হোসেন জিসান, ইমরান হোসেন তালুকদার, মো. মারুফ, মো. পারভেজ, মো. বাকের, রাশেদ পাটোয়ারি, মো. রাজীব সহ থানা ও ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন রাতে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়। একই সঙ্গে মহানগরের আওতাধীন ১৫ থানার পূর্ণাঙ্গ ও ১২টি ওয়ার্ডের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়। স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এম জিলানী ও সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান এ কমিটি অনুমোদন করেন। এর আগে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বেলায়েত হোসেন বুলু কে আহ্বায়ক ও ইঞ্জি. জমির উদ্দিন নাহিদ কে সদস্য সচিব করে দুই সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছিল।
















