আগামীর নতুন বাংলাদেশ গঠনে মেধাবী শিক্ষার্থীদের দেশ গড়ার কাজে এগিয়ে আসতে হবে-মীর হেলাল

101

বিপুল উৎসাহ- উদ্দীপনায় ঐতিহ্যবাহী নাজিরহাট কলেজে জাতীয় বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ, কলেজদিঘিতে মৎস্যপোনা অবমুক্তকরণ, নিরাপত্তা রক্ষীকক্ষ ও মসজিদের সম্প্রসারিত অংশের শুভ উদ্বোধন, অডিটোরিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ২০২৫ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

Advertisement
spot_img

আজ ২২ জুন সকাল ১০ টায় কলেজ এডহক কমিটির সভাপতি বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এসব কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জহির উদ্দীন সিদ্দিকী (শাহীন) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এডহক কমিটির সদস্য অধ্যাপক (অব.) মোহাম্মদ শাহাবুদ্দীন, এস এম ফারুক হোসেন ও অধ্যাপক এস এম কাওছার এবং অধ্যাপক নাছির উদ্দীন আহামদ চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী- রাজনীতিবিদ কাজী সাইফুল ইসলাম টুটুল, অধ্যাপক অনোমদর্শী বড়ুয়া, অধ্যাপক মো. গোলাম কিবরিয়া, অধ্যাপক তপন কুমার নাথ প্রমূখ।

প্রধান অতিথি তার অনলাইন বক্তব্যে বিদায়ী পরিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করে বলেন- বৈষম্যমুক্ত সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মান প্রক্রিয়ায় তোমাদেরকে দেশপ্রেমিক আলোকিত নাগরিক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে

তিনি আরো বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবক এর কার্যকর আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি কলেজের সার্বিক উৎকর্ষ সাধন সম্ভবপর হয়ে উঠে। এ ব্যাপারে তিনি এলাকাবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করে শিক্ষার্থী অনন্যা ইবনাত চৌধুরী এবং বক্তব্য রাখে শিক্ষার্থী আরমান উদ্দীন।
বিদায়ী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখে তাসপিয়া নুজহাত ও রুয়াদা আলম মীম।

কর্মচারীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মো. সুজায়েত আলী চৌধুরী।

জুলাই ২০২৪ এর গণ অভ্যুত্থানে শহিদদের মাগফেরাত ও বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রভাষক মো. দেলাওয়ার হোসেন।

সবশেষে অধ্যাপক রোজী মজুমদারের নির্দেশনায় ও প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস এর উপস্থাপনায় শিক্ষার্থীরা এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।

পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন অধ্যাপক ড. দোলন কান্তি ভট্টাচার্য, অধ্যাপক ফওজিয়া সুলতানা ও প্রভাষক মোসফেকা চৌধুরী।

Advertisement
spot_img