অস্ট্রেলিয়ার কাছে দুই গোলে হারল বাংলাদেশ

19

বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপের যৌথ বাছাইয়ের প্রথম লেগে মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৭-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এর আগে সকারুদের কাছে পার্থে ৫-০ এবং বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

Advertisement
spot_img

কাজেই এ ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কম গোল হজমের কথা জানিয়ে ছিলেন বাংলাদেশের কোচ হাভিয়ের কাবরেরা ও জামাল ভূঁইয়া।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) বসুন্ধরার কিংস অ্যারেনায় সে কথা রাখতে পেরেছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সকারুদের বিপক্ষে ২-০ গোলে হেরেছে তপু-মোরছালিনরা।

অস্ট্রেলিয়া সাবেক এশিয়ান কাপ চ্যাম্পিয়ন। বিশ্বকাপেও নিয়মিত তারা। এমনকি কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে চাপে ফেলেছিল সকারুরা। বাংলাদেশের তুলনায় শক্তি এবং সামর্থ্যে যোজন যোজন এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া। তাদের বিপক্ষে দুই গোলের এই হারকে লড়াকু বলছেন অনেকে।

এ ম্যাচের শুরু থেকে সফরকারিরা গোলের সুযোগ সৃষ্টি করে অনেক। তবে গোলটাই পাচ্ছিল না মিচেল ডিউক, কুসিনি ইয়েঙ্গি ও নেস্তর ইরানকুন্দাদের নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণ ভাগ।

এ দিকে কয়েক দফায় আক্রমণে ওঠার অসম্ভব চেষ্টা করেন রাকিব-মোরছালিন। ডি-বক্সের আগে তা রুখে দেন অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার হ্যারি শুটার, কাই রোলেস ও রায়ান স্ট্রেইন।

সকারুদের বিপক্ষে আগের তিন ম্যাচেই খেলেছিলেন জামাল ভূঁইয়া। তবে এ ম্যাচের একাদশে জায়গা হয়নি তার। সোহেল রানা জুনিয়র ইনজুরিতে পড়লে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে মাঠে নামানো হয় তাকে।

জামাল মাঠে নামার আগে এক গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ম্যাচের ২৯ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার আজদিন হিউস্টিকের দূরপাল্লার শট ডিফেন্ডার মেহেদী হাসানের পায়ে লেগে দিক পাল্টে চলে যায় বাংলাদেশের জালে। ফলে আত্মঘাতী গোলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে স্বাগতিকরা।

৬২ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পায় সফরকারিরা। সম্মিলিত আক্রমণ থেকে বাংলাদেশের গোলমুখে ক্রস করেন জর্ডান ব্রস। তা থেকে হেডে গোল করতে খুব কষ্ট করতে হয়নি ইয়াঙ্গির।

পরে রক্ষণে শক্তি আরও বাড়ান বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। উদ্দেশ্য ছিল পরিস্কার কম গোল খাওয়া। আর তাতে সফল বাংলাদেশ দল। মাত্র দুই গোলের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে তপু-জামালরা।

Advertisement
spot_img