
মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই- আযম বীরপ্রতীক বলেছেন, জুলাই ভিত্তির উপরে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও নিহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং তাদের পরিবারের সার্বক্ষনিক দেখা শোনা করার জন্য সরকার আলাদাভাবে অধিদপ্তর খোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ।
উপদেষ্টা আজ চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে, ছাত্র – জনতার জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের জন্য সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ।যারা বেশি গুরুতর আহত তাদেরকে রাশিয়া ,ব্যাংককসহ বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এই চিকিৎসার সব ধরনের খরচ বহন করছে সরকার। এর বাইরে তাঁদের নগদ অর্থসহায়তাসহ, আন্দোলনে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করছে সরকার ।
উপদেষ্টা আরো বলেন, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার যে গতিতে চলছে আমার দৃঢ় বিশ্বাস এই সরকারের আমলেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যার বিচার কাজ শেষ হবে।
জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সার্বিক মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সিইও শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত শহিদ ওয়াসিমের মা প্রমুখ।
আলোচনা সভায় সরকারি কর্মকর্তা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের পরিবারসহ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভার পূর্বে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহিদদের জন্য দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
















