
দুনিয়াটা এখনো কতোটা মানবিক, তাই না?
কতোটা আপন করে আগলে রেখেছে মানুষ!
বকুল ফুলের গন্ধে মাতোয়ারা হয় মন ও মনন
বেলী ফুলের শুভ্রতায় সরলতা আনে চেতনায়।
কে বলেছে?
পৃথিবীটা পঙ্কিলতায় ছেয়ে গেছে।
রোবট,প্রযুক্তি,শিল্পায়ন কিংবা দূষনের মায়াজাল;
মনুষত্বের গলা টিপে মেরে ফেলেছে।
মা এখনো শিশুকে ঘুম পাড়ানি মাষী-পিষী গান শুনায়, সোনার কাঠি রুপার কাঠির রুপকথা
অবাক বিষ্ময়ে কান পেতে শুনে।
চাদের বুড়ির সুতাকাটা দেখতে জোৎস্না মাখে গায়।
তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে আজো মানুষের মন
প্রিয়জনের ফিরতি পথের পানে অপেক্ষার প্রহর গুনে।
শিশুর হাসি বুকে আনন্দের ঝড় তুলে।
কান্নার শব্দে বিষাদের ছায়া নামে।
ভোর আর সন্ধ্যা নামে আজানের শব্দে।
চার্চের ঘন্টা,উলুধ্বনির পবিত্রতায়,
এখনো মানুষ সৃষ্টিকর্তার গুনগান গায়।
মানবিক মূল্যবোধ হারায়নি আজো
কঠিন বাস্তবতার কড়াঘাতে।
মানুষ আজো সাগর পাহাড় দৌড়ে বেড়ায়
নতুন সুখের উন্মাদনায়।
কবিতার খাতায় অনুভূতির ছোয়ায়
শব্দেরা সব সুর তুলে যায়।
রংতুলিতে আচড় তুলে
জীবন ছবির বিকাশ ঘটায়।
মনুষত্ব বেঁচে আছে; মনুষত্ব জেগে আছে;
পৃথিবীটা আজো মনুষ্যত্বের ঘরবসতি।
















